মিথুন আশরাফ – দুবাই

তাওহীদ হৃদয় (১০০) কি ব্যাটিংটাই না করেছেন। সেঞ্চুরি হাকিয়ে দলকে সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে গেছেন। সাথে জাকের আলী ষষ্ঠ উইকেটে  তাওহীদের সাথে রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটি গড়ে দলকে খাদের কিনারা থেকে বাঁচিয়েছেন। এরপরও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দলের বাকিরা ব্যাটসম্যানরা যে শুধুই ব্যর্থ হয়েছেন। আর তাই ভারতের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মিশন শুরু করে বাংলাদেশ।

আফসোস! শুরুতেই যদি ধাক্কা খেতে না হতো। ৩৫ রানেই ৫ উইকেট হারাতে না হতো। তাহলে গল্প অন্যরকমও হতে পারতো। পরে যে তাওহীদ ও জাকেরের ইনিংস ও জুটির রেকর্ড হতাশাই জাগিয়েছে! যদি আর একটি বড় জুটি হতো, বড় ইনিংস হতো! ২২৮ রান করে ৪৯.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ১১৮ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ১০০ রান করেন তাওহীদ। আর জাকের করেন ১২৭ বলে ৪ চারে ৬৮ রান। এরবাইরে দুই অংকের ঘরে শুধু পৌছাতে পারেন ওপেনার তানজিদ হাসান (২৫) ও রিশাদ হোসেন (১৮)। বাকিরা শুধু উইকেটে এসেছেন, আর উইকেট ছুড়ে দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন। তাওহীদ ও জাকের মিলে যদি হাল না ধরতেন, তাহলে ১০০ রানেই অলআউট হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ, এমন সম্ভাবনাও জাগে।

নিজেদের সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ২০১৭ সালের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে ৯ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। এবার যখন প্রায় ৮ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হচ্ছে, বাংলাদেশও খেলতে নেমেছে, তখনও প্রতিপক্ষ ভারত। টানা দুইবারই ভারতের কাছে হারল বাংলাদেশ।

রান খুব বেশি হয়নি। ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে জয়ের আশা তাই করা যায়নি। তবে যখন ৪ উইকেট পড়ে যায়, তখন খানিক আশা জাগে। কিন্তু এক শুভমিন গিলই (১০১) অপরাজিত সেঞ্চুরি করে কাত করে দেন। সাথে রোহিত শর্মা (৪১) ও লোকেশ রাহুল (৪১*) সঙ্গ দেন। তাতেই ৪৬.৩ ওভারে ২৩১ রান করে জিতে ভারত।   

Leave A Reply

Exit mobile version